প্রিন্ট এর তারিখঃ Aug 13, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ May 15, 2026 ইং
আশরাফুল ইসলাম মামুনের পর্দার আড়ালে অন্ধকার সাম্রাজ্য!

পর্ব-০৩
ডেস্ক রিপোর্ট।।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আতঙ্কের নাম মামুন
ময়মনসিংহ সদরের চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নের ল্যাংড়া বাজার এলাকায় ফ্রিল্যান্সিংয়ের নামে বিষ ছড়াচ্ছে চিহ্নিত সাইবার অপরাধী আশরাফুল ইসলাম মামুন। গত কয়েক পর্বে তার প্রতারণার প্রাথমিক রূপ উঠে আসলেও, আমাদের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে আরও ভয়াবহ তথ্য। সে কেবল একজন সাধারণ প্রতারকই নয়, বরং একটি সংঘবদ্ধ সাইবার মাফিয়া চক্রের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে। মামুনের ল্যাপটপ আর স্মার্টফোনের ভেতরে লুকিয়ে আছে তার প্রতারণার শত শত তথ্য।
ফিশিং লিংকের প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইলিং জালিয়াতি।
ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্লাসের কথা বলে তরুণী দের নিয়োগ দিয়ে বিভিন্ন দেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফিশিং লিংক পাঠায়, যা ক্লিক করলেই ব্যবহারকারীর আইডি, ব্যাংক একাউন্ট এর পাসওয়ার্ড চলে যায় তার নিয়ন্ত্রণে।
ইন্টারনেটের অন্ধকার জগতের সাথে যুক্ত হয়ে স্থানীয় কিশোর ও যুবকদের পর্ণোগ্রাফির নেশায় আসক্ত করছে। ফ্রিল্যান্সিং একটি সম্মানজনক পেশা, যা দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখে। কিন্তু মামুনের মতো সাইবার অপরাধীরা এই পেশাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে যুবসমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তার এই অবৈধ কারবারের কারণে সাধারণ মানুষ এখন মেধাবী ও পরিশ্রমী ফ্রিল্যান্সারদেরও সন্দেহের চোখে দেখছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঋণের চাপে এলাকা থেকে ঢাকা পালিয়ে যাওয়া মামুনের আয়ের কোনো প্রকাশ্য উৎস না থাকলেও তার রাজকীয় প্রত্যাবর্তন জীবনযাত্রায় আকাশচুম্বী পরিবর্তন এই আয়ের পুরোটাই পর্ণ সাইটের দালালি আর একাউন্ট হ্যাকের আয়। ল্যাংড়া বাজারের সাধারণ মানুষ এখন আর চুপ থাকতে রাজি নয়। তারা মামুনকে সামাজিকভাবে বয়কট করার পাশাপাশি তার অবৈধ সম্পদের উৎস অনুসন্ধানের দাবি তুলছেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও সাইবার ক্রাইম ইউনিটের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে তাকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বেরিয়ে আসবে এই পর্ণ সিন্ডিকেটের রাঘব-বোয়ালদের নাম। এমনটাই দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
মামুন কি একা? নাকি তার সাথে রয়েছে প্রভাবশালী চক্র?
আসছে পর্ব-০৪
চোখ রাখুন স্বপ্নীল বাংলাদেশ-এ।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ স্বপ্নীল বাংলাদেশ